বানারীপাড়ায় খেয়াঘাটের পরিদর্শন করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃমানিকহার রহমান

0
84

সুমন খান, বরিশাল বানারীপাড়া : বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর খেয়াঘাটের ইজারার অতিরিক্ত টোল নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় বরিশাল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মানিকহার রহমান মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় খেয়াঘাট পরিদর্শন করেছেন।

এসময় তিনি সন্ধ্যা নদীতে খেয়া পারাপারে সরকার নির্ধারিত ৪ টাকা টোল নেওয়ার জন্য ইজারাদার মো. ইফতেখার ও টোল আদায়কারী সাইদুল ইসলামকে নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি এ ব্যাপারে সহায়তার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসিকে চিঠি দেন। এছাড়াও জেলা পরিষদ নির্ধারিত জনপ্রতি ৪ টাকা টোলের সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে দেওয়া হয়।

বরিশাল জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা, সদস্য আ. লতিফ হাওলাদার, বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান পারভেজ, শ্রমিকলীগ নেতা খলিলুর রহমান মোল্লা প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত- চলতি বছর (বাংলা সন অনুযায়ী) বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীর খেয়াঘাটের ইজারা জনপ্রতি ৩ টাকার স্থলে ৪ টাকা ও মোটরসাইকেল ২০ টাকার স্থলে ৩০ টাকা নির্ধারণ করায় গত ৯ মে নদীর পশ্চিম পাড়ের ৪ ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এলাকাবাসী বিক্ষোভ প্রদর্শণ করেন। খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম ফারুক ঘটনাস্থলে গিয়ে খেয়াঘাটের মূল ইজারাদার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে জনস্বার্থে পূর্ববর্তী বছরের মতো জনপ্রতি ৩ টাকা ও প্রতিটি মোটরসাইকেল ২০ টাকা হারে নেওয়ার জন্য বলে তাদের ক্ষোভ প্রশমন করেন। সেই দিন থেকে জনপ্রতি ৩ টাকা ও প্রতিটি মোটরসাইকেল ২০ টাকা করে নেওয়া হতো। এ প্রসঙ্গে বরিশাল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মানিকহার রহমান বলেন বানারীপাড়ার চেয়ে স্বরূপকাঠির সন্ধ্যা নদীর দূরত্ব কম হলেও সেখানে ৫ টাকা হারে টোল আদায় করা হচ্ছে।

তারপরেও বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর খেয়াঘাটের টোল নিয়ে কারও কোন অভিযোগ থাকলে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি। এসময় তিনি খেয়াঘাটে যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রী ছাউনী নির্মাণ করে দেওয়ারও কথা বলেন