ভুয়া কাবিন নামা বানিয়ে সাংবাদিক সুজনকে ব্যালাইকমিল করার অপচেষ্টায় ট্রাইবুনালে মামলা

0
324

বিশেষ প্রতিনিধি : সাংবাদিক, সংগঠক, লেখক মুহাম্মাদ ইয়াছিন হোসেন সুজনকে ভুয়া কাবিন নামা বানিয়ে ব্যালাইকমিল করার অপচেষ্টা ও ফেসবুকে তার পরিবারের সদস্যদের অপপ্রচার সোসাল মিডিয়ায় চালানোর দায় সাংবাদিক সুজন ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালে সেই ভুয়া কাবিন নামা বানানোর মুল হোতা বিবাহিতা নারীকে প্রধান আসামী করে চার জনের নাম উল্লেখ করে ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন গতকাল বৃহস্পতিবার।

মামলার নং ১৩৫/২০১৮। মামলার এজহার থেকে জানা যায় ২০১৬ সালের মার্চ মাসের ০৭ তারিখে নিউজের তথ্য সংগ্রহ কালে ফেসবুকে তার সাথে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৪ নং ওয়ার্ড ২য় মুরাদপুর এলাকায় বাড়াটিয়া রাজমিস্ত্রী তুহিন মিয়ার মেয়ে ফারজানা আক্তার ববির সাথে তার পরিচয় হয়। পরিচয় হয়। অত:পর সেই পরিচয়ে সাংবাদিক সুজনের সাথে তার বন্ধুর সর্ম্পক হয়। এক পর্যায় তার খোলামেলা স্বভাব দেখে তার সন্দেহ হয়। পরে জানে সে বিবাহিতা। তার কাছে সব গোপন রেখেছিলো। তার শ্বশুর বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ১৫নং নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড উত্তর ত্রিশ (রুপনগর আবাসিক) এলাকায় অবস্থিত অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য আবদুল হকের একমাত্র ছেলে রুবেলের স্ত্রী।

মামলায় উল্লেখ করা হয় সাংবাদিক সুজন থেকে সে গত ০৩ বছরে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা আর্থিক সহযোগিতা নেয়। গত ০১-০১-২০১৮ইং তারিখ তার মামাতো বোনের বিয়ের কথা বলে তার ল্যাপটপ, মোবাইল, সপ্তাহ খানেক পর ফেরত দিয়ে দিবে বলে নিয়ে ছিলো অদ্যাবধি পর্যন্ত তার ল্যাপটপ, মোবাইল ববি ফেরত দেয়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার গুলো ০১৮২৪৯০৬০৬৬,০১৬

১৯০৫০৫৩০.বন্ধ পাওয়া গেলে সুজন খোজ খবর নেওয়া শুরু করে। বাস্তবে টেকনোলজি ব্যবহার করে অনেক বাস্তবতায় তাকে খুজে পায়। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে ববি কথা ঘুরানোর চেস্টা করে।

গত ২৫-০২-২০১৮ইং তারিখ হইতে অদ্যাবধি পর্যন্ত তাকে বারবার নিম্নবর্ণিত নাম্বারগুলো ব্যবহার করে ০১৮২৪৯০৬০৬৬,০১৮

৬৫১৬৯৩৭৫,০১৮৩৮১২৩৮৬৩,০১৮৫২৩২৭৪

২৩,০১৭৫৮৮৮৩৯৫৪,০১৮২৮৮৩০৮৬২,০১৯

৯২৯৬৯৫০৯,০১৭৮৯০৯২১৪৫,০১৬৩৫৭৫৫৪

২৬৫,০১৮৬৩৯০৭৬৭৮,০১৮৮১৪৫৮২২৮,০১

৭৫৮০২২৫৪৪,০১৮৬২৪৪১৬৭৭,০১৮২৪৬৯১

৯৯৩,০১৭৮৯০৯২১৪৫,০১৯৯৬৫৩২৯৩১, ০১৬১৯০৫০৫৩০,০১৭৭৮১৬৮১৫৭৯,০১৮৭৭

৩৪৫৫৪৭,০১৬২৭০৭৮৭৬১,অগণিত নাম্বার ব্যবহার করে তার ০১৭৩২৬৭২৫৭৯ নাম্বারে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে sujonpressbd@gmail.com ইমেল আইডি হ্যাক ও হত্যার হুমকি প্রদান করে। তার ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনী দিয়ে তাকে হত্যা করার চেস্টা করে হামলার প্রস্তুতি নেয়। এখন আবার বিভিন্ন লোকজনকে র্যাব, পুলিশ সাজিয়ে বারবার রাজধানী সহ কুমিল্লা শহরে যেতে বলে। তার সাথে বর্তমানে কোন সর্ম্পক নেই।সুজনের অবস্থানে অনড় থাকায় তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয় সুজনকে মারবে, অাইনের অপব্যবহার করবে, প্রয়োজনে সে আত্মহত্যা করবে সুজনকে ফাসাবে বলে হুমকি দিচ্ছে।

ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে সুজনের পরিবারের সদস্যসহ অনেক কে জড়িয়ে অচীন পাখি, অজান্তা অজান্তা, মেঘলা মেঘলা, ইমন খান, সালাহ উদ্দিন খান মুন্না, এমএইচ বিল্লাহ, সহ হাজার ও আইডিতে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তার গুন্ডা বাহিনী দিয়ে ইমেল হ্যাক করে ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে সংরক্ষিত কৃত ফেসবুকে,টুইটার, ইউটিউব চ্যানেলের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে তার ছবি দিয়ে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ, মিথ্যা, বানোয়াট, আজগুবি খবর পোস্ট দিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় স্মাট নারীদের ছবি প্রোপাইল বানিয়ে সুজনের নামে আইডি খুলে সুজনের বোনের ছবি কম্পিউটার সংযোজক করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

এখন আবার তাকে পটানোর জন্য অন্য অন্য মেয়ের বায়না ধরে ০১৮২৮৮৩০৮৬২ ব্যবহার করে আমার ০১৭৩২৬৭২৫৭৯নাম্বার কল দিতে থাকে। সুজনের মান সম্মান নস্ট করতে এখন তার মামাতো ফুফাতো ভাইকে সাথে নিয়ে চাদা নেওয়ার কায়দা করতে বুয়া কাবিন নামা বানিয়ে স্ত্রীর মর্যাদার পেতে অপচেস্টা চালিয়েছে। সাংবাদিক সুজনকে ব্লাইকমিল করতে এই বিবাহিত নারীর সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে বুয়া কাবিন নামা নিয়ে। রাজনৈতিক নেতাসহ জনপ্রতিনিধির কাছে গ্রহণ যোগ্যতা না পাওয়া বেওয়ারিশ মহিলা থানা পুলিশের ভয় দেখায় সাংবাদিক সুজনকে। তার গুন্ডা বাহিনী দিয়ে কুমিল্লা শহরের অলীতে গলীতে যেতে বলে সুজনকে। এখন নামে বেনামে সুজনের নামে আইডি খুলে উদ্দেশ্য করে তাকে ফাসাতে বিভিন্ন লোকজনের ছবি দিয়ে আজগুবি খবর পোস্ট দিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ কে শুরহা করার কথা বললে বাসা ছেড়ে অনত্র চলে গিয়ে আড়ালে থেকে অপকর্ম চালাচ্ছে।

শুধু তাই নয় এই বিবাহিতা মহিলা কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ গ্রামের বিডিয়ার আবদুল হকের ছেলে রুবেলের সাথে অবৈধ সম্পর্কে ধরা খেয়ে বিয়ে পড়লে ও রুবেলর বাবা এই পতিতা মহিলাকে মেনে নিতে রাজি হয়নি। বহুবার দরকষা কষি করে রুবেলের বাবাকে জেলের ভয় দেখেয়ে একবার উত্তর ত্রিশ গ্রামে কয়েক দিন কাটায়। সেখানে ও থাকতে পারে না এই বদমাশি মহিলা। পাশের গ্রামের কামরুল নামক এক ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্ক লিপ্ত থাকায় রুবেলের বাবা তাকে রুবেল আর ববিকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েচে। রুবেল পেশায় একজন পরিবহন শ্রমিক। বাসায় বেশিদিন থাকে না পরিবহনে থাকে মাসের বেশির ভাগই এই সুযোগে এই মহিলা মোবাইল দেশ বিদেশের ছেলেদের কে পাদে পেলে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে! প্রতারণার আর চাঁদাবাজি তার পরিবারের নেশা। এই বিবাহিতা মহিলার কুকর্ম তার স্বামী কয়েকবার জেনে তালাক দিয়ে আবার বিয়ে না করেই সংসার চালাচ্ছে। ববির মা পারুল বেগম বিবির বাজারে একনামে চেনে যাকে পতিতার সম্রাজ্ঞী সে কুমিল্লা এলাকা সহ দেশে বিদেশে মাদক, ইয়াবা পাচার করতো। মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করাতে এখন ঘা ঢাকা দিয়েছে। বর্তমানে ২য় মুরাদপুর থেকে পালিয়ে রেসকোর্স বাসায় নিয়ে পতিতালয় সৃস্টি করচে। ববির অপর্কমে এলাকা থেকে বের করে দিয়েছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক রা। তার মা পারুলের এসব কুকীর্তির কারনে বিবির বাজার এলাকা থেকেতাদেরকে তাড়িয়ে দিয়েচে তার কাকাতো ভাই।

শুধু তাই নয় পুরো পরিবারের সদস্যরা মাদক হিসেবে এলাকায় চিহ্নিত। ববির ছোট নাম সিমু। সে স্থানীয় এক পোষাক শিল্পে চাকুরী করতেন। সেই সুবাধে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এর ১৩ নং ওয়ার্ডের থিরা পুকুর পাড়ের কনু মিয়ার ও সাজু বিবি র ছেলে মাদক সম্রাট মাহবুবের সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হলে স্থানীয়রা বিবাহিত মাহবুবের সাথে সিমুর বিয়ে দেয়। মাহবুবের রয়েছে আগের সংসারে দুই ছেলে থাকায় সিমু কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে রোডে বাড়া থাকে। মাহবুবের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে চারটি মামলা চলমান। কয়েকবার জেলে খেটে আসে। মাহবুবের মায়ের রয়েছে এক লাইসেন্স বিহীন যৌন পল্লী যেখানে রাত দিন চলচে মাদক ও যৌন মিলনের মহাউৎসব। মাহবুবের বাবা কনু সে ও এলাকায় মাদক ও ইয়াবা চোরাচালান করতো। বর্তমানে সে পলাতক। কিছু দিন আগে মাদক নিয়ে বিক্রি তে বাধা দিলে এলাকায় মারামারি করলে থানায় মামলা হয়।

ববির অপকর্মের আরেক সহযোগী কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এর ১৪নং ওয়াডে থাকা ২য় মুরাদপুর এলাকার রাজমিস্ত্রি তাহেরের মেয়ে জান্নাত। সে আর ববি এমন কায়দা করে বিদেশী ও দেশী ছেলেদেরকে অসামাজিক কাজে প্রস্তাবে পেলে হাজারো ছেলেদের সাথে প্রতারনা করে আসছে। ববির বাবা তুহিন মিয়া যে মাদকের টাকা ভাগাভাগি করা নিয়ে আপন বোনের জামাইকে মেরে পেলচে যার মামলা এখন ও চলমান। এই পুরো পরিবারের নস্টামি কয়েকবার জাতীয় ও স্থানীয় বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলাকায় তাদের মানুষরূপী জানোয়ার কে চিনতে পারে। সাংবাদিক সুজনের বুয়া কাবিন নিয়ে ববির মুঠোফোনে ০১৮২৪৯০৬০৬৬ জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয়ে তিনি লাইন কেটে দেন। বারবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। সূর্য এর আলোতে সবাইকে মানুষ হিসেবে দেখা গেলে ও রাতের আধারে এসব অপকর্মের মানুষগুলোকে কেউ দেখেনি। এদের আইনের আওতায় এনে এসব প্রতারক দের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির ব্যবস্থা করলে হয়তো এসব প্রতারক মুক্ত সমাজ গড়তো পারবো আমরা। প্রশাসন প্রতারক দের খুজে বের করে শাস্তি দিবে এমন প্রত্যাশা সচেতন মহলের। বার্তা প্রেরক মুহাম্মাদ ইয়াছিন হোসেন। চ্যানেল ৬, বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা। তারিখ : ০৩,০৮,২০১৮.০১৭৩২৬৭২৫৭৯