মনোহরদীতে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় যুবলীগ নেতা সোহেলের বাড়িতে হামলা

0
919

স্টাফ রিপোর্টার : গত ৩১শে মার্চ মনোহরদী উপজেলা একদুয়ারীয়া ইউনিয়নের একদুয়ারী গ্রামের ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি সোহেলের বাড়িতে হামলা চালায় চিহ্নিত মাদকব্যবসায়ীরা।

অভিযোগের সূত্রে প্রকাশ পায়, দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছে ইব্রাহিম (২৭), পিতাঃ ইসলাম উদ্দিন, আমান উল্লাহ (২৪), পিতাঃ আজগর আলী গং মাদক ব্যবসার ব্যাপারে প্রতিবাদ করায় ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে যুবলীগের সভাপতি সোহেল মিয়া অবগত করলে মাদক ব্যবসায়ীরা ক্ষীপ্ত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে গত ২৯শে মার্চ ২০১৯ রাত্র অানুমানিক ৯.৩০ ঘটিকার সময় একদুয়ারীয়া সাকিনস্থ বরমতলা ব্রীজের পাশে ইব্রাহিম, পিতাঃ ইসলাম উদ্দিন, আমান উল্লাহ, পিতাঃ আজগর আলী, রতন, পিতাঃ বাছেদ, ইসলাম উদ্দিন, পিতাঃ অজ্ঞাত, আজগর আলী, পিতাঃ মান্নান, আলম, পিতাঃ অনর আলী, সর্ব সাং- একদুয়ারীয়া, লাঠি সোটা, দা, ছুড়ি নিয়ে অহিদউল্লাহকে একা পেয়ে পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে, সন্ত্রাসীরা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হাতের কব্জি ভেঙ্গে দেয় এবং তার কাছে থাকা পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

অহিদউল্লাহর আত্মচিৎকারে তার ছেলে সোহেলসহ এলাকাবাসী আহত অহিদউল্লাহকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে ভর্তিরত অবস্থায় অহিদউল্লাহ বাদী হয়ে মনোহরদী থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ পেয়ে মনোহরদী থানার এসআই আমিরুল ইসলাম গত ৩১ মার্চ ঘটনাস্থলে তদন্ত করেন।

এতে মাদক ব্যবসায়ীগণ ক্ষীপ্ত হয়ে পুনরায় সংঘবদ্ধ হয়ে এজাহারে উল্লেখিত সন্ত্রাসীগন সোহেলের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া হামলা ও লুটপাট চালায়। হামলায় মারাত্মক জখম হয় সোহেলের মা রাশিদা বেগম (৪৫), ছোট ভাই আরিফ (২৯), তাজুল ইসলাম (১৬)।

হামলাকারীগণ সোহেলের ভাবির গলায় থাকা এক ভরি স্বর্ণের চেইন ও আধা ভরি ওজনের কানের দুল ছিনিয়ে নেয় এবং সোহেলের মার কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। ঘরে থাকা ৫৮ হাজার টাকা নগদ লুটে নেয় এবং ঘর থেকে লক্ষাধিক টাকার আখের গুড়, একটি বাছুর নিয়ে যায়। ঘরের বেড়ার টিন কুপিয়ে কেটে ফেলে এবং আসবাবপত্র ভাংচুর করে। সোহেল ও তার পরিবারের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে লুন্ঠনকৃত মালামাল সাথে নিয়ে সন্ত্রাসীরা চলে যায়। এলাকাবাসী সোহেলের মা ভাইদের উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে চার জন হাসপাতালে ভর্তি আছে। বর্তমানে সোহেলের বাড়ি জনমানবশূণ্য।

সন্ত্রাসীদের ভয়ে সোহেলের পরিবার বাড়ীতে যেতে পারছে না। মহিলাসহ শিশুরা বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে এ ব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী। মনোহরদী থানার এসআই আমিরুল ইসলামের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে এজাহারের তদন্তের কথা স্বীকার করেন।