স্বরুপকাঠী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জোয়ার ভাটায় বসবাস দেখার কেউ নাই

0
26

সুমন খান, স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুর জেলার মধ্যে নেছারাবাদ উপজেলার স্বরুপকাঠী পৌরসভার বেশ রাখ ডাক আছে কাগজে কলমে। ১৯৯৮ সালে পৌর সভা প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনও অনেক পৌরবাসীরা বর্ষা ও পানি মৌসুমে পানির সাথে যুদ্ধো করে বাচতে হয়। কমিশনার সহ মেয়রের সুদৃস্টি এখন না পড়ার মত অবস্থা ।

অথচ মেয়রের বাসা হতে মাএ ৫ মিনিট ও কাউন্সিলরের বাসা হতে ৩ মিনিটের পথ। বিচিএ সেলুকাস এরিয়া স্বরুপকাঠীর ১ নং ওয়ার্ড। বাজেট আসে কাজ হয় কিন্তু মাএ ৯ বাড়ীর কথা চিন্তা করে একবারও উচু কাচা রাস্তা নির্মান বা ইটের সলিং হয় না। এ যেন রাএের অন্ধকারে প্রদীপ না জালানোর বাস্তব গল্প।

এব্যাপারে সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম সাইডে ৯ টি বাডীর পৌর সভার বাসিন্দারা জাতীয় গন মাধ্যম কর্মীদের ক্ষোভের সাথে জানান, কাউন্সিলর রতন দত্তের খাম খেয়ালি পনার জন্য আমাদের এখানে উন্নতি হয় না। আমরা কতটা কষ্ট করি তা আপনারা স্বচক্ষে দেখুন। আমরা বার বার তাগাদা দেওয়া স্বত্তেও কোন নজরে আসেনি। অথচ ভোটের সময় ওয়াদার শেষ নেই । আসলে আমরা জিম্মি বর্তমান কাউন্সিলরের কাছে। পাশাপাশি মেয়রেরও সুদৃস্টি পড়েনি আমাদের সমস্যার কথা।

পৌরবাসী লালমিয়া, সেলিম, আলামিন, কমল,
বিজয়,জালাল হুজুর,সানজিদা ও আলাউদ্দিন প্রমুখরা মিডিয়াকে জানান, বর্ষা মৌসুমে আমরা হাটু জল ভেঙ্গে বাসায় আসা যাওয়া করি। জোয়ারের সময়ে প্রায় তিন থেকে চার ফিট জল থাকে। স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা দারুন ভোগান্তির স্বীকার হয়।

এ ব্যাপারে পর পর চার বারের কাউন্সিলর বাবু রতন দত্তের সাথে মোবাইলে কথা বলার চেস্টা করেও আলাপ সম্ভব হয়নি। পৌরসভায় এসেও তার সাক্ষাত পাওয়া যায়নি। নাম না প্রকাশের শর্তে স্ট্রাফ সহ বহু পৌরবাসীরা বলেন,রতন দত্ত ইচ্ছে করে ফোন রিছিব করেন না। এদিকে বি এন পির সাবেক কাউন্সিলর প্রার্থীরা জানান,আসলেই পৌরসভার চুন পোড়া এলাকায় সমস্যার অন্তঃ নেই।

অন্য দিকে পৌর মেয়র জি এম কবির মিডিয়াকে বলেন, আগামী বাজেটে এ সমস্যার সমাধান শতভাগ হবে। আমি সর্বদা পৌরবাসীর উন্নতি কামনা করি।মিডিয়ার আর এক প্রশ্নে পাল্টা বলেন, আসলে এ গ্রেড পৌরসভা হলেও সত্যি সত্যি আমরা এখনও অনেক গুন পিছিয়ে আছি। তবে আগামীতে আমরা উন্নতির বন্যা বইয়ে দিবো।